আবারো ভাঙচুর করা হলো আহলে হাদীস মসজিদে।
এবার ভাঙচুর করা হলো, ইসলামী বই পুস্তক ও কিতাবাদি লুন্ঠন করা হলো এবং সলাত আদায়ে বাধা প্রদান করে মসজিদে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হলো রাজধানী ঢাকার অদূরে নবাবগঞ্জ থানাধীন আল ফুরকান মাসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে।
একের পর এক গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে, ভাঙচুর করা হচ্ছে, কোথাওবা অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে কোথাও বা দখল করে নেয়া হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায় আহলে হাদীস জামায়াতের মসজিদগুলি। এই ভূপৃষ্ঠে সর্বাধিক হকপন্হী জামায়াত আহলে হাদীসদের উত্থান এখন চোখে পড়ার মত। দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে এই তাওহীদবাদীদের দওয়াত সূর্যের আলোর মত পৌঁছে যাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।
এ মহা উত্থানকে রুখে দেয়ার সাধ্য কারো নেই। একটিতে ভাঙচুর চালানো হলে কিংবা বাধা প্রদান করা হলে তার ফলশ্রতিতে ইন শা আল্লাহ দশটি মসজিদ মহান আল্লাহ নির্মাণ করাবেন। আমরা সঠিক পথের দিশা পাওয়া সকল প্রবাসী ভাইদের আহবান জানিয়েছি যেন তাদের প্রত্যেকে নিজ নিজ এলাকায় একটি করে মসজিদ নির্মাণ করেন।
শুধু বাংলাদেশে নয়, সমগ্র পৃথিবীব্যাপী এমন একটিও রেকর্ড নেই যে আহলে হাদীসরা কারো মসজিদে ভাঙচুর চালিয়েছে কিংবা কোন একজন মুসল্লীকে সলাত আদায়ে বাধা প্রদান করেছে।
আহলে হাদীসদের মসজিদে ভাঙচুর চালানো আর পবিত্র হারাম শরীফে ভাঙচুর চালানোর মাঝে কোন পার্থক্য নেই। ওটি মূল আর এটি শাখা।
আহলে হাদীস মসজিদগুলির অপরাধ বা ত্রুটি কি? হুবহু হারামাইন শারীফাইনের মানহাজে, বিশ্ব নবী মুহাম্মদ সঃ এবং সাহাবায়ে কিরামের কিংবা সহীহ সুন্নাহর আলোকে ও মানহাজ বা পদ্ধতি তে সলাত
আদায় করা হয় এ সব মসজিদগুলিতে কেবল এগুলিই কি এই মসজিদগুলির ত্রুটি নয়।
মহান আল্লাহ স্পষ্ট ভাবেই ঘোষণা দিয়েছেন যে" ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে হতে পারে যে মসজিদগুলিতে মহান আল্লাহর জন্য সলাত আদায়ে ও যিকর করতে বাধা প্রদান করে ও সেগুলিতে ভাঙচুর চালায় ও অনিষ্ট করার পাঁয়তারা করে।..... অতঃপর মহান বলেন ওদের জন্য রয়েছে এই পৃথিবীতেই লাঞ্ছনা ও পরকালে ভয়ঙ্কর আযাব।"( সূরা আল বাকারাহঃ ১১৪)।
প্রশাসনের অতিসত্বর আমরা সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করছি ও দুষ্কৃতকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
