দেশের উন্নয়নে দুর্নীতি বন্ধ করা খুবই জরুরি

দেশের উন্নয়নে দুর্নীতি বন্ধ করা খুবই জরুরি

👉সকলের জ্ঞাতার্থে এবং সকলের জানা উচিত।

কোন সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী সরকারি বিধান অনুযায়ী ঠিকমতো অফিস না করে বেতন তুললে সেটা  সরকারি অর্থ আত্মসাতের সামিল। এটা দুর্নীতি। একই সাথে অভিযুক্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে অবৈধ সুযোগ প্রদানকারীও একই অভিযোগে অভিযুক্ত হবেন। এই ধরনের অপরাধের সাথে যোগসাজশে জড়িত ব্যক্তিরা সকলেই অভিযুক্ত এবং এভাবে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা দুর্নীতির আওতাভুক্ত। 

দুদক আইন-২০০৪ অনুযায়ী কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত কর্মকর্তাকে যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যে কোন তথ্য চাহিবামাত্র দিতে বাধ্য থাকবে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)  আইন ২০০৪ এর ধারা ১৯ উপধারা (২)  অনুযায়ী,

কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)   আইন ২০০৪ এর ধারা ১৯ উপধারা (৩)  অনুযায়ী,

কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷

দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ধারা ৫ এর উপধারা (২) অনুযায়ী, 

কোন গণ কর্মচারী অপরাধমূলক অসদাচরণ করিলে বা করার চেষ্টা করিলে তিনি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদন্ডে বা অর্থ দন্ডে বা উভয় দন্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং অপরাধমূলক অসদাচরণ সম্পর্কিত অর্থসম্পদ বা সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা যাইবে।

কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত অভিযান পরিচালনা কালে কর্মকর্তাগণ দুদক আইন-২০০৪–এর ২০ ধারার  ক্ষমতা প্রাপ্ত অর্থাৎ রেকর্ডপত্র বা আলামত সার্চ করা, জব্দ করা কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে গ্রেফতারের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

দুদক তার নিজস্ব গতিতেই চলবে...

Read Also :

Getting Info...

Post a Comment