অধ্যাপক ড. মােহাম্মদ কায়কোবাদ জন্ম ও পড়ালেখা কোথায়?
অধ্যাপক ড. মােহাম্মদ কায়কোবাদ মানিকগঞ্জ জেলার জন্য গ্রামে ১৯৫৪ সালের পহেলা মে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তদানীন্তন। সােভিয়েত ইউনিয়নের ওডেসা শহর থেকে অটোমেটেড ম্যানেজমেন্ট অব মার্চেন্ট ম্যারিনে এমএস অনার্স ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি, ব্যাংককের এআইটি থেকে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন্স টেকনােলজিতে মাস্টার্স এবং ফ্রিভার্স ইউনিভার্সিটি অব সাউথ অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
কত সালে ড. মােহাম্মদ কায়কোবাদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন?
১৯৯৬-৯৯ সালে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই অনুষদের ডীন ছিলেন। বাংলাদেশে গণিত, বিজ্ঞান ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডের তিনি একজন নিরলস কর্মী। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলােতে প্রােগ্রামিং প্রতিযােগিতাকে জনপ্রিয় করার জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি ২০০৫ সালে তাকে স্বর্ণপদক প্রদান করেন। বাংলাদেশ একাডেমী অব সায়েন্সেস ২০০৬ সালে গবেষণায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য ভৌত বিজ্ঞানের প্রবীণ বিভাগে স্বর্ণপদক প্রদান করেন। আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ দলের দলনেতা হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন।
ড. মােহাম্মদ কায়কোবাদ কি কি পুরস্কার পেয়েছিলেন?
এছাড়া ২০০২ সালে হাওয়াইতে অনুষ্ঠিত এসিএম আইসিপিসি এর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তাকে শ্রেষ্ঠ কোচের পুরস্কার এবং ২০১৩ সালে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে মর্যাদাকর সিনিয়র কোচ পুরস্কার প্রদান করা হয়। । তিনি ২০০৮ সালে ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটি অব সাউথ অস্ট্রেলিয়ার সম্মানজনক ডিস্টিগুয়িস্ট এলামনাই পুরস্কারে ভূষিত হন। ডঃ কায়কোবাদ অস্ট্রেলিয়ার মােনাশ এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মার্কেট ইউনিভার্সিটি, চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়া এডভান্সড ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনােলজি এবং _ কিয়ংহি ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং প্রফেসর ছিলেন। গণিতকে জনপ্রিয় করার জন্য জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ।
অধ্যাপক ড. মােহাম্মদ কায়কোবাদ এর রচিত বইয়ের সংখ্যা কত?
অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের সঙ্গে তিনি বিনােদন গণিতের উপর একাধিক বই রচনা করেন। তাঁর রচিত বইয়ের সংখ্যা ২০। বাংলাদেশে আইসিসিআইটি নামের কম্পিউটারের যে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স চালু হয়েছে তাঁর প্রথমটির । অরগ্যানাইজিং চেয়ার হিসাবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া প্রাক স্নাতক ছাত্রদের মধ্যে গবেষণাকে জনপ্রিয় করতে '। তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশাত্মবােধ জাগিয়ে তােলার জন্য তিনি জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিকসমূহে অসংখ্য কলাম লিখেছেন। তিনি ইউআইটিএস এবং এইউএসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য এবং কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের মাল্টি মিলিয়ন ডলার সাইবার হেইস্টের জন্য সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটির একজন সদস্য ছিলেন। পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসরােধে মহামান্য আদালত কর্তৃক গঠিত প্রশাসনিক কমিটির তিনি চেয়ারম্যান। এছাড়া একাধিক জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটারায়নের কাজের সঙ্গে তিনি যুক্ত আছেন। ডঃ কায়কোবাদ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমানসহ একাধিক মেয়াদের এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক। তিনি ইউসেফ বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দুই ছেলে- আমেরিকায় কর্মরত মােহাম্মদ কায়েস কায়কোবাদ এবং কানাডায় কর্মরত কম্পিউটার স্লাতক তানভীর কায়কোবাদ এবং স্ত্রী সালেহা সুলতানী কায়কোবাদ।
